- অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় উন্নয়নের পাঁচালি টিম গঠন করবেন। প্রতিটি টিমে থাকবেন ৪–৫ জন সদস্য। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে একাধিক টিম থাকবে। বিধানসভা কেন্দ্রভিত্তিক বৈঠক হবে এবং কেন্দ্রভিত্তিক রাজ্যের উন্নয়নমূলক কাজ তুলে ধরা হবে।
- প্রতি বিধানসভা কেন্দ্রে ন্যূনতম ৩টি টিম থাকবে। প্রতিটি টিমে ৫–১০ জন করে ব্লক সভাপতি, টাউন সভাপতি ও বিধায়ক থাকবেন। কর্মসূচির থিম উন্নয়নের সংলাপ।
- কর্মসূচি শুরু হবে ১লা জানুয়ারি থেকে। জেলা সমন্বয়কারীদের নিয়োগ করা হবে, যারা আমাদের চোখ ও কান হিসেবে কাজ করবেন। এই তালিকা আগামীকাল ঘোষণা করা হবে।
- *প্রধানমন্ত্রী বলে গেছেন সভায়, বাঁচতে চাই, বিজেপি তাই- এই চার শব্দের মধ্যে অনেক ষড়যন্ত্র লুকিয়ে আছে। বাঁচাতে চাই মানে মারতে চাই। তাই আমাদের বলতে হবে বাঁচতে চাই, বিজেপি বাই। বাঁচতে চাই মানে বলতে চাইছে মারতে চাই। আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে ২০২৯ এর ভীত হচ্ছে ২০২৬। মানবে না হার, তৃণমূল আবার, এটা সবাইকে বলতে হবে।*
- *বাংলার সমর্থনের সংযোগ আর বাংলার সমর্থনের সংলাপ, এই কর্মসূচী আনা হচ্ছে। টিম গঠন করা হচ্ছে বিধায়ক, পঞ্চায়েত সমিতি সভাপতি, পুরসভার চেয়ারম্যান সহ ব্লকের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা থাকবেন। প্রতি টিম ৫-১০ জন করে থাকবে।*
- *জানুয়ারি মাসের এক তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে। প্রায় ১৮০০ ইনফ্লুয়েনসার চিহ্নিত হয়েছে। তার মধ্যে ২০০ জনের কাছে মন্ত্রী ও সাংসদ যাবেন। বাকিদের কাছে বিধায়ক, জেলা সভাপতি যাবেন। এটাই বাংলার সমর্থনের সংযোগ। এটা এক তারিখ থেকে শুরু হবে। ৩৮ টিম রাজ্যে গঠিত হয়েছে। সেখানে সাংসদ, মন্ত্রী, বিধায়ক থাকবেন। একমাসের মধ্যে এই কাজ শেষ করা হবে। ১৫-৩০ দিনের সময়সীমা দেওয়া হবে। এই ১৮০০ জনকে কিট দেওয়া হবে। রিপোর্ট কার্ড তুলে ধরবেন তাদের কাছে। উন্নয়নের পাঁচালি, বাংলার গৌরবোজ্জ্বল ১৫ বছর লেখা থাকবে এই কিটে। উত্তরীয়, স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা চিঠি থাকবে, মেমেন্টো থাকবে, ১৫ বছরের রিপোর্ট কার্ড থাকবে।*
- *আমরাই একমাত্র দল ভারতবর্ষে। ক্ষমতায় থাকাকালীন কি কি কাজ করেছে তার পুঙ্খানুপুঙ্খ কাজের রিপোর্ট যা শ্বেতপত্র প্রকাশের মতো আমরা বাড়ি বাড়ি দিচ্ছি। একমাত্র দল যাদের এই সৎ সাহস আছে। মমতা বন্দোপাধ্যায়ের কাজের রিপোর্ট সকলের বাড়ি বাড়ি যাবে।*

0 মন্তব্যসমূহ